New video by Monotosh Mondal on YouTube - go check it out ;-)


Watch on YouTube here: October 30, 2022
Via Christian Gasper

Comments

Popular posts from this blog

কারকের অনুশীলন: ১০০+ ব্যাখ্যা সহ উদাহরণ কারক নির্ণয়ের নিয়ম প্রথমেই বলে রাখি: কারক যদি বিস্তারিত শিখতে চান, তাহলে আগে পড়ুন কারকের বিস্তারিত আলোচনা। আর যদি কারকের উদাহরণ আলোচনার মাধ্যমে কারক নির্ণয়ের নিয়ম শিখতে চান, তবে এই পোস্টটি পড়ার পর বিস্তারিত আলোচনায় যাবেন। কারক বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে সহজ হলেও কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বহু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবার সুযোগ থেকে যায়। এই বিভ্রান্তি দূর করার একমাত্র উপায় হলো প্রচুর অনুশীলন ও সেই সঙ্গে প্রকৃত ব্যাখ্যা। আজকের এই পোস্টে দিলাম কারকের শতাধিক ব্যাখ্যা সহ প্রশ্নোত্তর। যে উদাহরণগুলো একটু কঠিন, সেগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দিয়েছি। প্রতিটি উদাহরণ মনোযোগ সহকারে পড়লে কারক নির্ণয়ের বিভ্রান্তি অনেকটাই দূর হবে আশা করি‌। উদাহরণে যাওয়ার আগে কিছু প্রয়োজনীয় কথা বলে নেওয়া দরকার। কারক-নির্ণয়ের অনুশীলন করার সময় মাথায় রাখতে হবে, কারক একটি ক্রিয়া-কেন্দ্রিক বিষয়। ক্রিয়া-পদ‌ই এখানে প্রধান উপজীব্য। সংশ্লিষ্ট পদটির থেকে ক্রিয়া-পদটিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে হবে। তবেই কারকের হদিশ পাওয়া যাবে। এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায় এক‌ই শব্দ বা পদ ভিন্ন ভিন্ন বাক্যে ভিন্ন-ভিন্ন কারকপদের জায়গা নিচ্ছে। সম্পর্ক-বিচার না করে কারক নির্ণয় করার কোনো সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যেমন অনেকেই শেখান, স্থান বোঝাতে অধিকরণ, কাল বোঝাতে অধিকরণ ইত্যাদি বা 'কী' প্রশ্নে কর্ম হয়। এইসব টোটকার সাহায্যে অনেক ক্ষেত্রে কারক-নির্ণয় করা গেলেও এগুলি ভরসাযোগ্য পদ্ধতি নয়। তাই আমার পরামর্শ: কারক-নির্ণয়ের অনুশীলন করার আগে প্রতিটি কারকের অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া ভালো। এ ছাড়া প্রতিটি কারকের প্রতিটি শ্রেণিবিভাগ খুঁটিয়ে জেনে নিলে কারক-নির্ণয় সহজ হয়ে যায়। আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন পোস্টের শুরুতেই কারকের বিস্তারিত আলোচনার লিংক দিয়েছি। কারক শেখার জন্য ঐ আলোচনাটি পড়তেই হবে। ১: তোমাতে করিব বাস। - কোন ধরনের অধিকরণ? উঃ ভাবাধিকরণ। কারণ তোমাতে বলতে 'তোমার ভাবনায়'। ২: তাকে ভূতে পেয়েছে। কোন কারক? উঃ কর্তৃ কারক। অর্থ : ভূতে ধরেছে। ৩: র‌ইলো পড়ে তোমার কাজ। - কোন কারক? উঃ কর্তৃ কারক। পড়ে থাকার কাজটি 'কাজ'-ই করছে। ৪: আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে? উঃ অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান। ৫: জীবনে মরণে তোমার সাথে থাকবো। উঃ অধিকরণ কারক। জীবনকাল ও মৃত্যুর পরবর্তী কালের কথা বলা হয়েছে। ৬: এই পথটুকু অতিক্রম করে যাও। উঃ কর্ম কারক। পথটিকে অতিক্রম করা বোঝাচ্ছে। ৭: আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ। উঃ কর্ম কারক। প্রাণকে বেঁধেছি, তাই প্রাণ কর্ম। ৮: ষড়রিপু জয় করেছেন। উঃ কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ষড়রিপুকে জয় করেছেন। ৯: বাংলায় কোন ক্ষেত্রে কর্ম কারকের বিভক্তি লোপ পায়? উঃ জড় কর্মে ও বিধেয় কর্মে। বিধেয় কর্মে সব সময় লোপ পায়, জড় কর্মে অধিকাংশ সময় লোপ পায়। ১০: গন্ধে টেকা দায়। উঃ করণ কারক। হেতুবাচক করণ। গন্ধের কারণে টেকা দায়। ১১: পিতৃদেবকে পত্র দিলাম। উঃ কর্ম কারক। গৌণ-কর্ম। পত্র মুখ্য-কর্ম। জড়ধর্মী কর্ম-পদটি মুখ্য-কর্ম। ১২: পথ রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে। উঃ কর্ম কারক। পথকে রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে। 'রুদ্ধ করে' অসমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু তাতে কোনো অসুবিধা নেই। অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে কারক নির্ণয় করতে কোনো বাধা নেই। ১৩: সামঞ্জস্য বজায় রাখো। উঃ কর্ম কারক। বজায় রাখা হবে সামঞ্জস্যকেই। যেমন: যদি বলা হয় "ব‌ইগুলো গুছিয়ে রাখো।" তাহলে ব‌ইগুলো কর্ম হবে। এক‌ই ভাবে এখানে 'সামঞ্জস্য'-কে বজায় রাখতে বলা হচ্ছে। ১৪: চরণে আশ্রয় দিন। - কোন প্রকার অধিকরণ? উঃ নৈকট্যসূচক। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সরাসরি পায়ের উপর আশ্রয় দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়াকেই বলে 'চরণে আশ্রয় দেওয়া'। ১৫: সম্পদে আমার লোভ নেই। উঃ অধিকরণ কারক। বিষয়াধিকরণ‌। সম্পদ বিষয়টি লোভের আধার। কিন্তু যদি বলা হয়: "সম্পদের জন্য ছোটাছুটি করছি।" তাহলে নিমিত্ত কারক হবে। ১৬: মৃত্যুর জন্য দিন গুনছি। উঃ নিমিত্ত কারক। ১৭: মাটিতে মূর্তি গড়া হয়। উঃ করণ কারক। উপাদানবাচক করণ। ১৮: ঘাস জন্মালো রাস্তায়। উঃ কর্তৃ কারক। জন্মানোর কাজটি ঘাস করলো। ১৯: আদর্শে তিনি বামপন্থী। উঃ করণ কারক। আদর্শের মাপকাঠিতে বিচার করলে তিনি বামপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সুতরাং আদর্শ এখানে বিচারের মাপকাঠি। তাই আদর্শ করণ কারক। ২০: তাঁর হাতে অনেক ক্ষমতা আছে। উঃ অধিকরণ কারক ‌। ২১: ছেলেটিকে সবাই ভয় পায়। উঃ অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান বলে গণ্য হয়। ২২: দর্শনী দিয়ে ঠাকুর দেখে এলাম। উঃ কর্ম কারক। এখানে 'দিয়ে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া, অনুসর্গ নয়, তাই করণ হবে না। ২৩: মৃত্যুতে জীবনের পরিসমাপ্তি হয়। উঃ করণ কারক। মৃত্যুর দ্বারা । ২৪: চলনে বলনে তিনি হলেন খাঁটি বাঙালি। উঃ করণ কারক। লক্ষণাত্মক করণ। চলন বলন দেখেই বোঝা যায় যে তিনি বাঙালি। তাই চলন বলন হল চেনার লক্ষণ। ২৫: তিনি চাকুরিতে ইস্তফা দিলেন। উঃ অপাদান কারক‌। চাকুরি থেকে ইস্তফা দিলেন।