class vi model activity task 2022 // geography class model activity task 2022 //class 6 vugol model activity task february


 

Class 6 Geography Model Activity Task Part 2 February 2022| ষষ্ঠ শ্রেণী পরিবেশ ও ভূগােল মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট ২





১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখাে : ১x৩ =৩

১.১ যে গ্রিক পণ্ডিত প্রথম পৃথিবীর গােলকাকৃতির কথা বলেন তিনি হলেন –

(ক) প্লেটো

(খ) অ্যারিস্টটল 

(গ) এরাটোথেনিস

(ঘ) ম্যাগেলান 

উত্তরঃ (খ) অ্যারিস্টটল 

1.2 23 12 উঃ অক্ষরেখা যে নামে পরিচিত তা হলাে – 

(ক) কর্কটক্রান্তি রেখা

(খ) মকরক্রান্তি রেখা 

(গ) সুমেরুবৃত্ত রেখা

(ঘ) নিরক্ষরেখা

উত্তরঃ (ক) কর্কটক্রান্তি রেখা

১.৩ পৃথিবীর অক্ষ তার কক্ষতলের সঙ্গে যত ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে তার মান হলাে –

ক) ০°

(খ) ৯০°

(গ) 

(ঘ) 

উত্তরঃ (ঘ) 

২.১ বাক্যটি সত্য হলে ‘ঠিক এবং অসত্য হলে ‘ভুল’ লেখাে ১x২=২

২.১.১ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাদের ওপর পৃথিবীর ছায়া বৃত্তাকৃতি হয় না।

উত্তরঃ ভুল

২.১.২ পৃথিবী তার নিজের অক্ষের চারিদিকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তন করে।

উত্তরঃ ভুল

২.২ একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : ১x৩=৩

২.২.১ পৃথিবীর আকৃতি কীরকম হলে সব জায়গায় একই সময়ে সূর্যোদয় হতাে?

উত্তরঃ পৃথিবীর আকৃতি যদি টেবিলের মতাে চ্যাপ্টা সমতল হত তাহলে ভূ-পৃষ্ঠের সর্বত্র একই সময়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হত।

২.২.২ পৃথিবীর কোথায় দাঁড়ালে তােমার সবদিকই দক্ষিণদিক হবে?

উত্তরঃ পৃথিবীর একেবারে উত্তর মেরুতে দাঁড়ালে সব দিক দক্ষিণ দিক হবে।

২.২.৩ গ্রীনিচের মান মন্দিরের ওপর দিয়ে বিস্তৃত দ্রাঘিমারেখার নাম লেখাে।

উত্তরঃ লন্ডনের গ্রিনিচ মান মন্দির এর (রয়্যাল অবজারভেটরি) ওপর দিয়ে যে দ্রাঘিমা রেখা চলে গেছে সেটাই মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা |

৩.নীচেরপ্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২x২=৪

৩.১ পৃথিবীর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন স্থান দুটির নাম লেখাে।

উত্তর: পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থান হল হিমালয় পর্বতের মাউন্ট এভারেস্ট যার উচ্চতা ৮,৮৪৮ মিটার এবং সর্বনিম্ন স্থান হল প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত, যার গভীরতা হল ১০,৯১৫ মিটার।

৩.২ নিরক্ষরেখার দুটি প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করাে।

উত্তরঃ নিরক্ষরেখার দুটি প্রয়ােজনীয়তা হল —

নিরক্ষরেখা পৃথিবীর মাঝবরাবর পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত হয়ে পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গােলার্ধে বিভক্ত করেছে।

এই রেখার সাহায্যে কোনাে স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়।


৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৩x১=৩

একটি বৃত্ত অঙ্কন করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা চিহ্নিত করাে-

উত্তরঃ

একটি বৃত্ত অঙ্কন করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা চিহ্নিত করাে-

‘পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি পৃথিবীর মতাে।’ – উক্তিটির যথার্থতা বিচার করাে –

উত্তর : পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি পৃথিবীরই মতাে— এই যুক্তির প্রমাণ পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে অনেক দ্রুত ঘােরে বলে এর ওপর-নীচ কিছুটা চাপা আর মাঝবরাবর কিছুটা স্ফীত। তাই পৃথিবী পুরােপুরি গােল নয়। কমলালেবু বা ন্যাসপাতির সঙ্গে পৃথিবীর আকৃতির কিছুটা মিল থাকলেও আসলে ‘পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি পৃথিবীর মতো’। যাকে জিয়ড বলা হয়।

পৃথিবীতে মাউন্ট এভারেস্টের মতাে সর্বোচ্চ স্থান (৮,৮৪৮ মিটার) যেমন রয়েছে, তেমনই মারিয়ানা খাতের মতাে সর্বনিম্ন স্থানও (সমুদ্র সমতল থেকে ১০,৯১৫ মিটার নীচু) রয়েছে। পৃথিবীপৃষ্ঠের এই সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন স্থান দুটির মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য প্রায় 20 কিমি। তাই উঁচুনীচু অনিয়মিত ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কোনাে বাস্তব পদার্থেরই আকৃতির মিল পাওয়া যায় না।





class vi model activity task 2022
class vi geography model activity task 
class vi february model activity task all subject 2022
geography model activity task february
geography new model task 2022
vugol model activitytask 
bhugol model activity tassk 2022

Comments

Popular posts from this blog

কারকের অনুশীলন: ১০০+ ব্যাখ্যা সহ উদাহরণ কারক নির্ণয়ের নিয়ম প্রথমেই বলে রাখি: কারক যদি বিস্তারিত শিখতে চান, তাহলে আগে পড়ুন কারকের বিস্তারিত আলোচনা। আর যদি কারকের উদাহরণ আলোচনার মাধ্যমে কারক নির্ণয়ের নিয়ম শিখতে চান, তবে এই পোস্টটি পড়ার পর বিস্তারিত আলোচনায় যাবেন। কারক বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে সহজ হলেও কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বহু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবার সুযোগ থেকে যায়। এই বিভ্রান্তি দূর করার একমাত্র উপায় হলো প্রচুর অনুশীলন ও সেই সঙ্গে প্রকৃত ব্যাখ্যা। আজকের এই পোস্টে দিলাম কারকের শতাধিক ব্যাখ্যা সহ প্রশ্নোত্তর। যে উদাহরণগুলো একটু কঠিন, সেগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দিয়েছি। প্রতিটি উদাহরণ মনোযোগ সহকারে পড়লে কারক নির্ণয়ের বিভ্রান্তি অনেকটাই দূর হবে আশা করি‌। উদাহরণে যাওয়ার আগে কিছু প্রয়োজনীয় কথা বলে নেওয়া দরকার। কারক-নির্ণয়ের অনুশীলন করার সময় মাথায় রাখতে হবে, কারক একটি ক্রিয়া-কেন্দ্রিক বিষয়। ক্রিয়া-পদ‌ই এখানে প্রধান উপজীব্য। সংশ্লিষ্ট পদটির থেকে ক্রিয়া-পদটিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে হবে। তবেই কারকের হদিশ পাওয়া যাবে। এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায় এক‌ই শব্দ বা পদ ভিন্ন ভিন্ন বাক্যে ভিন্ন-ভিন্ন কারকপদের জায়গা নিচ্ছে। সম্পর্ক-বিচার না করে কারক নির্ণয় করার কোনো সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যেমন অনেকেই শেখান, স্থান বোঝাতে অধিকরণ, কাল বোঝাতে অধিকরণ ইত্যাদি বা 'কী' প্রশ্নে কর্ম হয়। এইসব টোটকার সাহায্যে অনেক ক্ষেত্রে কারক-নির্ণয় করা গেলেও এগুলি ভরসাযোগ্য পদ্ধতি নয়। তাই আমার পরামর্শ: কারক-নির্ণয়ের অনুশীলন করার আগে প্রতিটি কারকের অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া ভালো। এ ছাড়া প্রতিটি কারকের প্রতিটি শ্রেণিবিভাগ খুঁটিয়ে জেনে নিলে কারক-নির্ণয় সহজ হয়ে যায়। আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন পোস্টের শুরুতেই কারকের বিস্তারিত আলোচনার লিংক দিয়েছি। কারক শেখার জন্য ঐ আলোচনাটি পড়তেই হবে। ১: তোমাতে করিব বাস। - কোন ধরনের অধিকরণ? উঃ ভাবাধিকরণ। কারণ তোমাতে বলতে 'তোমার ভাবনায়'। ২: তাকে ভূতে পেয়েছে। কোন কারক? উঃ কর্তৃ কারক। অর্থ : ভূতে ধরেছে। ৩: র‌ইলো পড়ে তোমার কাজ। - কোন কারক? উঃ কর্তৃ কারক। পড়ে থাকার কাজটি 'কাজ'-ই করছে। ৪: আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে? উঃ অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান। ৫: জীবনে মরণে তোমার সাথে থাকবো। উঃ অধিকরণ কারক। জীবনকাল ও মৃত্যুর পরবর্তী কালের কথা বলা হয়েছে। ৬: এই পথটুকু অতিক্রম করে যাও। উঃ কর্ম কারক। পথটিকে অতিক্রম করা বোঝাচ্ছে। ৭: আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ। উঃ কর্ম কারক। প্রাণকে বেঁধেছি, তাই প্রাণ কর্ম। ৮: ষড়রিপু জয় করেছেন। উঃ কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ষড়রিপুকে জয় করেছেন। ৯: বাংলায় কোন ক্ষেত্রে কর্ম কারকের বিভক্তি লোপ পায়? উঃ জড় কর্মে ও বিধেয় কর্মে। বিধেয় কর্মে সব সময় লোপ পায়, জড় কর্মে অধিকাংশ সময় লোপ পায়। ১০: গন্ধে টেকা দায়। উঃ করণ কারক। হেতুবাচক করণ। গন্ধের কারণে টেকা দায়। ১১: পিতৃদেবকে পত্র দিলাম। উঃ কর্ম কারক। গৌণ-কর্ম। পত্র মুখ্য-কর্ম। জড়ধর্মী কর্ম-পদটি মুখ্য-কর্ম। ১২: পথ রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে। উঃ কর্ম কারক। পথকে রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে। 'রুদ্ধ করে' অসমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু তাতে কোনো অসুবিধা নেই। অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে কারক নির্ণয় করতে কোনো বাধা নেই। ১৩: সামঞ্জস্য বজায় রাখো। উঃ কর্ম কারক। বজায় রাখা হবে সামঞ্জস্যকেই। যেমন: যদি বলা হয় "ব‌ইগুলো গুছিয়ে রাখো।" তাহলে ব‌ইগুলো কর্ম হবে। এক‌ই ভাবে এখানে 'সামঞ্জস্য'-কে বজায় রাখতে বলা হচ্ছে। ১৪: চরণে আশ্রয় দিন। - কোন প্রকার অধিকরণ? উঃ নৈকট্যসূচক। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সরাসরি পায়ের উপর আশ্রয় দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়াকেই বলে 'চরণে আশ্রয় দেওয়া'। ১৫: সম্পদে আমার লোভ নেই। উঃ অধিকরণ কারক। বিষয়াধিকরণ‌। সম্পদ বিষয়টি লোভের আধার। কিন্তু যদি বলা হয়: "সম্পদের জন্য ছোটাছুটি করছি।" তাহলে নিমিত্ত কারক হবে। ১৬: মৃত্যুর জন্য দিন গুনছি। উঃ নিমিত্ত কারক। ১৭: মাটিতে মূর্তি গড়া হয়। উঃ করণ কারক। উপাদানবাচক করণ। ১৮: ঘাস জন্মালো রাস্তায়। উঃ কর্তৃ কারক। জন্মানোর কাজটি ঘাস করলো। ১৯: আদর্শে তিনি বামপন্থী। উঃ করণ কারক। আদর্শের মাপকাঠিতে বিচার করলে তিনি বামপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সুতরাং আদর্শ এখানে বিচারের মাপকাঠি। তাই আদর্শ করণ কারক। ২০: তাঁর হাতে অনেক ক্ষমতা আছে। উঃ অধিকরণ কারক ‌। ২১: ছেলেটিকে সবাই ভয় পায়। উঃ অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান বলে গণ্য হয়। ২২: দর্শনী দিয়ে ঠাকুর দেখে এলাম। উঃ কর্ম কারক। এখানে 'দিয়ে' পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া, অনুসর্গ নয়, তাই করণ হবে না। ২৩: মৃত্যুতে জীবনের পরিসমাপ্তি হয়। উঃ করণ কারক। মৃত্যুর দ্বারা । ২৪: চলনে বলনে তিনি হলেন খাঁটি বাঙালি। উঃ করণ কারক। লক্ষণাত্মক করণ। চলন বলন দেখেই বোঝা যায় যে তিনি বাঙালি। তাই চলন বলন হল চেনার লক্ষণ। ২৫: তিনি চাকুরিতে ইস্তফা দিলেন। উঃ অপাদান কারক‌। চাকুরি থেকে ইস্তফা দিলেন।